বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ন

এইচ এম হুমায়ুন কবির।। কলাপাড়া উপজেলা (কলাপাড়া উপজেলা ৭নং ওয়ার্ড) সদস্য পদে আবার দ্বিতীয় বারের মতো সদস্য প্রার্থী কলাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ কলাপাড়া উপজেলা শাখার প্রতিষ্টিতা সভাপতি এবং ব্যবসায়ীক সমিতির সাধারন সম্পাদক মুজিব আদর্শের নির্ভীক সৈনিক, সর্বজন পরিচিত, কর্মী বান্ধব, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, নির্যাতীত ত্যাগী, নির্মোহ ব্যক্তিত্ব মো.ফিরোজ শিকদার। ইতোমধ্যে তিনি উন্নয়নের প্রতিশ্রæতি দিয়ে ১২টি ইউনিয়নে ও ২টি পৌরশহরে আগাম প্রচার-প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। ফিরোজ শিকদার ১৯৭৯ সালে পৌর শহরে ছোট শিকদার বাড়ী সন্তাম্ভ মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তার বাবা মো. হাকিম শিকদার ও এক জন সম্মানিত ব্যক্তি ও সমাজ সেবক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ফিরোজ শিকদার কলাপাড়া ব্যবসায়ীক সমিতির সাধারন সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ব্যবসা বানিজ্য এবং স্থানীয় কর্মসংস্থান সৃষ্ঠিতে ভূমিকা রেখেছেন। দলের সকল পর্যায়ের নেতা ও কর্মীদের কাছে ফিরোজ শিকদার দলের একজন সৎ, যোগ্য, শিক্ষিত, বিচক্ষন, ত্যাগী ও পরিশ্রমী সবাই জনবান্ধব নেতা হিসেবে চেনেন। সকলের সাথে সদালাপি এবং সুখে দুঃখে সব সময় সকলের পাশে থাকে নেতা হিসেবে পরিচিত। যে কোন সময় দলীয় নেতা কর্মীরা ফোন করলে তিনি রিসিভ করেন এবং খোঁজ খবর রাখেন। ফিরোজ শিকদার নির্বাচিত হতে পারলে পূর্বের তুলনায় জেলা পরিষদের মাধ্যমে উপজেলায় সার্বিক উন্নয়ন হবে বলে মনে করেন দলীয় নেতা-কর্মী সহ সাধারন জনগন। তিনি রাজনীতির পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত রয়েছেন। ওই ওয়ার্ডকে পুর্বেবস্থায় ফিরিয়ে অনতে বদ্ধ পরিকার। তার আমলে বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কাজ করেছেন। তিনি আবার নির্বাচিত হতে পারলে ওই ওয়ার্ডকে মনের মাধুরি দিয়ে সাজাতে চান। আর অসমাপ্ত উন্নয়ন মুলক কাজ গুলো সমাপ্ত করতে চান।
সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচন কমিশন জেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসীল ঘোষনা করায় আবারও নির্বাচনী হাওয়া বইছে উপজেলা ও পৌশহর গুলোতে। এবারও উপজেলা পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তবে, জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটা হচ্ছেন স্থানীয় ইউনিয়ন ও পৌরসভা এবং উপজেলা পরিষদের সদস্যরা। সরাসরি জনসাধারণের ভোটাধিকার না থাকায় প্রান্তিক পর্যায়ে আনন্দ না থাকলেও রয়েছে নানান গুঞ্জন। অধির আগ্রহ নিয়ে সকলে এ নির্বাচন উপভোগ করবেন।
উপজেলা নির্বাচন কমিশন সুত্রে জানা গেছে, ১২টি ইউনিয়ন ও দু’টি পৌরসভা এবং উপজেলা পরিষদের সদস্যরা এ নির্বাচনে ভোটাধিকার হবেন। ৭ নং ওয়ার্ডের মোট ভোটার সংখ্যা ১৮৫ জন। জেলা পরিষদে টাকা জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৪ সেপ্টেম্ভর। মনোনয়নপত্র দাখিলের মেষ সময় ১৫ সেপ্টেম্ভর। বাচাই ১৮ সেপ্টেম্ভর। প্রার্থীতা প্রত্যাহার শেষ সময় ২৫ সেপ্টেম্ভর। প্রতিক বরাদ্ধ ২৬ সেপ্টেম্ভর। ভোট গ্রহন ১৭ অক্টোব¢র। ইভিএমের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিরা ভোট দিবেন।
ফিরোজ শিকদার বলেন, আমি গত পাঁচটি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা বিগত দিনে জনগনের সেবা জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে নিয়োজিত ছিলাম। এবার ১২টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভা আবার দ্বিতীয় বারের মতো জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে উন্নয়নের দ্বারা অব্যাহত রাখতে চাই।
© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com
Leave a Reply